জামালপুরে নতুন রেল লাইন অকেজো দেখিয়ে চলছে হরিলুট দেখার কেউ নেই - Chuadanga News | চুয়াডাঙ্গা নিউজ | ২৪ ঘন্টাই সংবাদ

Sidebar Ads

test banner

Breaking

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Saturday, January 20, 2018

জামালপুরে নতুন রেল লাইন অকেজো দেখিয়ে চলছে হরিলুট দেখার কেউ নেই

জামালপুরে আমদানিকৃত রেল লাইন কেটে খন্ড খন্ড করে পরিত্যাক্ত অকেজো দেখিয়ে নিলামে নতুন লাইন বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, জামালপুর রেলওয়ে কিছুসংখ্যক অসাধু কর্মকর্তা/কর্মচারী ঠিকাদারের যোগসাজশে রেলওয়ের জাতীয় সম্পদ নতুন রেল খন্ড-বিখন্ড করে কেটে দিন-রাত ট্রাকে ভর্তি করে নিয়ে যাচ্ছেন। প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের নতুন রেল লাইন বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছেন কিছুসংখ্যক রেলওয়ে অসাধু কর্মকর্তা/কর্মচারী। যেন দেখার কেউ নেই। এ নিয়ে স্থানীয় সুধী ও সুশীল সমাজসহ একাধিক রেলওয়ে সৎ কর্মকর্তা-কর্মচারী দিনরাত বিক্ষুব্ধ ও উদিগ্ন হয়ে পড়েছেন। এমন অভিযোগ করেছেন খোদ রেলওয়ে কিছুসংখ্যক সৎ কর্মচারীসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গত তিন বছর আগে সরিষাবাড়ী থেকে যমুনা সেতু পূর্বপাড় রেল স্টেশন পর্যন্ত ব্রডগেইজ লাইন নির্মাণের জন্য প্রায় ৩ হাজার মে:ট: নতুন রেললাইন আমদানি করে রেল কর্তপক্ষ। এসব নতুন রেল লাইন জামালপুর স্টেশন সংলগ্ন পিডাব্লিউ অফিসের সামনে কালিবাড়ী রেল স্টেশন ও সরিষাবাড়ী রেল স্টেশন প্লটফর্মের সামনে বিশাল স্তূপ রাখা হয়েছিল। বর্তমানে সেখানে খালী জায়গা পড়ে রয়েছে নতুন লাইন নেই। রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ রেলওয়ে চট্রগ্রাম সহকারী ট্রাক সাপ্লই অফিসার জিয়া উদ্দিন আহম্মেদ স্বাক্ষরিত ২০১৬ সালে ১১৬৩.৩৫ মে:ট: অকেজো (পরিত্যাক্ত) রেল লাইন বিক্রির জন্য দরপত্র আহবান করেন। ওই দরপত্রের সর্বোচ্চ দরদাতা হিসাবে মেসার্স এস.এ কর্পোরেশনের কাছে পরিত্যাক্ত রেল লাইনগুলো  হস্তান্তর করতে গত ১১/১২/১৭ ইং তারিখে রেলওয়ে স্টেশন চট্রগ্রাম বিক্রয় আদেশ জারী করেন। ওই আদেশে উল্লেখ রয়েছে  শুধু মাত্র ১১৬৩.৩৫ মে:ট: অকেজো রেল লাইন বুঝিয়ে দিতে। অথচ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রেলওয়ে অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজসে অকেজো রেল লাইনসহ জামালপুর, কালিবাড়ী ও সরিষাবাড়ী স্টেশন স্তুপকৃত সম্পূর্ণ নতুন লাইন তড়িগড়ি করে ট্রাক দিয়ে নিয়ে যাওয়ায় জনমনে সংশয় দেখা দিয়েছে। এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জামালপুর ও সরিষাবাড়ী রেলওয়ে স্টেশনের কর্মকর্তরা বলেন, রেলভিট ব্যবহার করাই হয়নি সেগুলো অকেজো হয় কি ভাবে। রেলভিট ব্যবহার না করলে ২০ বছর মাটিতে পড়ে থাকলেও অকেজো হয় না।  তারা আরও বলেন, এই রেল এখানে ডাবল লাইন করার জন্য আনা হয়েছে। অপর দিকে মেসার্স এস,এ কর্পোরেশনের প্রতিনিধি আজম উদ্দিন বলেন, দরপত্র মোতাবেক সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে টাকা জমা দিয়ে মাল নিয়ে যাচ্ছি। এব্যাপারে রেলওয়ের এস,এস,এ ই উপ সহকারী প্রকৌশলী আমজাদ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে , তিনি বলেন, রেলওয়ে অকেজো রেল বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। তাই সব অকেজো রেল নিয়ে যাচ্ছে বলে জানান।  এ বিষয়ে রেলওয়ের এসভি ( স্টক বেরী) শাহিন আলম বজানান, রেল নিলামে বিক্রয়কৃত অকেজো লেভিট জামালপুর ও সরিষাবাড়ী স্টেশনে স্তূপ করে রাখা হয়েছিল। এগুলো সব বিক্রি করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত কত মে:ট: বিক্রি করা হয়েছে? এবং ওজন দেওয়া হচ্ছে কিনা? এমন প্রশ্নের কোন সদোত্তর দিতে পারেননি তিনি।


No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here