বিয়ের আগে হবু বরের হাত ধরার অপরাধে প্রকাশ্যে দরবারে বেত্রাচালু করা হয়। আইনটি ধীরে ধীরে রক্ষণশীল হয়ে উঠছে। প্রায়ই এ আইনের শিকার হচ্ছেন দেশটির সমকামী ও বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্ককারীরা। এই আইন কার্যকরে রাস্তায় মোতায়েন আছে শরিয়াহ পুলিশও। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই শাস্তিকে নির্যাতনের সঙ্গে তুলনা করে প্রচার চালিয়ে আসছে। ইন্দোনেশিয়ায় ২০১৫ সালের অক্টোবরে একটি শরিয়াহ আইন চালু করা হয়। ‘কানুন জিনায়াত’ নামে ওই আইনে সমকামীদের শাস্তি হিসেবে জনসমক্ষে ১০০ বেত্রাঘাত ও বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্ককারীদের ৩০ বেত্রাঘাত করা হয়। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, ওই শরিয়াহ আইনে মদ ও জুয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা দেশটিতে বসবাসকারী মুসলিম ও অমুসলিমদের জন্য প্রযোজ্য। শাস্তি হিসেবে বেত্রাঘাত করার আইন ইন্দোনেশিয়া ছাড়াও ইরান, সুদান, সৌদি আরব, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ব্রুনেইয়ের বিভিন্ন অংশে চালু রয়েছে। - Chuadanga News | চুয়াডাঙ্গা নিউজ | ২৪ ঘন্টাই সংবাদ

Sidebar Ads

test banner

Breaking

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Tuesday, January 23, 2018

বিয়ের আগে হবু বরের হাত ধরার অপরাধে প্রকাশ্যে দরবারে বেত্রাচালু করা হয়। আইনটি ধীরে ধীরে রক্ষণশীল হয়ে উঠছে। প্রায়ই এ আইনের শিকার হচ্ছেন দেশটির সমকামী ও বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্ককারীরা। এই আইন কার্যকরে রাস্তায় মোতায়েন আছে শরিয়াহ পুলিশও। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই শাস্তিকে নির্যাতনের সঙ্গে তুলনা করে প্রচার চালিয়ে আসছে। ইন্দোনেশিয়ায় ২০১৫ সালের অক্টোবরে একটি শরিয়াহ আইন চালু করা হয়। ‘কানুন জিনায়াত’ নামে ওই আইনে সমকামীদের শাস্তি হিসেবে জনসমক্ষে ১০০ বেত্রাঘাত ও বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্ককারীদের ৩০ বেত্রাঘাত করা হয়। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, ওই শরিয়াহ আইনে মদ ও জুয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা দেশটিতে বসবাসকারী মুসলিম ও অমুসলিমদের জন্য প্রযোজ্য। শাস্তি হিসেবে বেত্রাঘাত করার আইন ইন্দোনেশিয়া ছাড়াও ইরান, সুদান, সৌদি আরব, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ব্রুনেইয়ের বিভিন্ন অংশে চালু রয়েছে।

পারিবারিক ভাবেই বিয়ের দিন তারিখ নির্ধারন করা ছিলো। আধুনিক সমাজের হিসেব নিকেশে খুব স্বাভাবিকই হয়তো এমন পরিস্থিতিতে একসাথে ঘুরে বেড়ানো। কিন্তু রক্ষনশীল সমাজব্যাবস্থায় এমন ঘটনা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিয়ের আগে হবু বরের সঙ্গে হাত ধরাধরি করে ঘোরার অপরাধে যুগলকে পেতে হলো চরম শাস্তি। মসজিদের সামনে প্রকাশ্যে জনতার দরবার ডেকে বেত্রাঘাত করা হলো তাদের। প্রত্যেককে ২০ বার করে বেত্রাঘাত করা হয়। এমনই আইন চলে ইন্দোনেশিয়ার অ্যাচেতে। ২০০১ সাল থেকে এখানে কায়েম রয়েছে শরিয়তি আইন; যা মেনে চলতে হয় সব বাসিন্দাকে। সেই আইন অনুযায়ী বিয়ের আগে হবু বরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা মানে বিবাহপূর্ব যৌনতার সামিল। অবাধ্যতায় প্রকাশ্যে মেলে চরম শাস্তি। সেটা জেনেও আবেগের বশেই একে অপরের সঙ্গে একটু ঘনিষ্ঠ হয়েছিলেন এই যুগল। কিন্তু এক প্রতিবেশী সেই দৃশ্য দেখে ফেলেন। সঙ্গে সঙ্গে নালিশ যায় মসজিদে। ব্যাস, আর রক্ষা নেই। ডাকা হয় জনতার দরবার। সেখানেই বেত্রাঘাতে শাস্তি।ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে গত তিন বছরে জনসমক্ষে অন্তত ৮০০ জনকে বেত্রাঘাত করা হয়েছে। এই ‘শাস্তি’কে বর্বর উল্লেখ করে তা বন্ধের জন্য দেশটির প্রেসিডেন্টের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইন্দোনেশিয়ার একমাত্র আচেহ প্রদেশেই শরিয়াহ আইন কার্যকর রয়েছে। দেশটির বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে করা চুক্তির পরই এ আইন চালু করা হয়। আইনটি ধীরে ধীরে রক্ষণশীল হয়ে উঠছে। প্রায়ই এ আইনের শিকার হচ্ছেন দেশটির সমকামী ও বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্ককারীরা। এই আইন কার্যকরে রাস্তায় মোতায়েন আছে শরিয়াহ পুলিশও। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই শাস্তিকে নির্যাতনের সঙ্গে তুলনা করে প্রচার চালিয়ে আসছে। ইন্দোনেশিয়ায় ২০১৫ সালের অক্টোবরে একটি শরিয়াহ আইন চালু করা হয়। ‘কানুন জিনায়াত’ নামে ওই আইনে সমকামীদের শাস্তি হিসেবে জনসমক্ষে ১০০ বেত্রাঘাত ও বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্ককারীদের ৩০ বেত্রাঘাত করা হয়। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, ওই শরিয়াহ আইনে মদ ও জুয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা দেশটিতে বসবাসকারী মুসলিম ও অমুসলিমদের জন্য প্রযোজ্য। শাস্তি হিসেবে বেত্রাঘাত করার আইন ইন্দোনেশিয়া ছাড়াও ইরান, সুদান, সৌদি আরব, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ব্রুনেইয়ের বিভিন্ন অংশে চালু রয়েছে।

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here