যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্ব পাচ্ছে ১৮ লাখ তরুণ অভিবাসী - Chuadanga News | চুয়াডাঙ্গা নিউজ | ২৪ ঘন্টাই সংবাদ

Sidebar Ads

test banner

Breaking

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Saturday, January 27, 2018

যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্ব পাচ্ছে ১৮ লাখ তরুণ অভিবাসী

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কংগ্রেসে বৃহস্পতিবার দেশটিতে কাগজপত্রহীন আঠারো লাখ তরুণ অভিবাসীদের জন্য ব্যাপকভিত্তিক অভিবাসন পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। এতে ড্রিমার বা স্বপ্নদর্শী বলে পরিচিত এসব তরুণদের আগামী দশ থেকে বারো বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। -খবর এএফপি ও বিবিসি অনলাইনের আগামী সপ্তাহে জনপ্রিয় গ্রীন কার্ড লটারি কর্মসূচী বাদ দেয়াসহ সমন্বিত পরিকল্পনা আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হবে। এছাড়া পারিবারিক অভিবাসনে মারাত্মক বিধিনিষেধ আরোপ করার কথাও পরিকল্পনায় বলা হয়েছে। এছাড়া ড্রিমারদের নাগরিকত্ব মঞ্জুর করার বিনিময়ে মেক্সিকো সীমান্তে প্রাচীর তোলার অর্থ ছাড় করাতে চাইছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী সপ্তাহে অভিবাসন বিল অনুমোদনের আগে বুধবার এর রূপরেখা নিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ করে ট্রাম্প বলেছেন, কংগ্রেস মেক্সিকো সীমান্তে প্রাচীর নির্মাণের জন্য তার প্রস্তাব অনুযায়ী, পঁচিশ শ’ কোটি ডলার দিতে রাজি হলে তিনি লাখো অবৈধ তরুণ ড্রিমারকে নাগরিকত্ব দিতে প্রস্তুত। হোয়াইট হাউসে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেসে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে একটি চুক্তি হওয়ার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী। আর কংগ্রেসের আইনপ্রণেতারা যদি ড্রিমারদের নিয়ে কোন চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারেন, তাহলেও ড্রিমার প্রকল্পের (ডিএসিএ) মেয়াদ আরও বাড়াতে পারেন বলে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন। বছর পাঁচেক আগে যুক্তরাষ্ট্রের তখনকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার চালু করা শৈশবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা নাগরিকদের জন্য বিলম্বিত পদক্ষেপ (ডিএসিএ) প্রকল্পের আওতায় সুরক্ষা পেয়েছিল অনিবন্ধিত আট লাখ তরুণ অভিবাসী। আইনের ফাঁক গলে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া এসব তরুণদের বিতাড়নের হাত থেকে রেহাই দিতে সেদেশে বসবাস, পড়াশোনা ও ভবিষ্যত কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছিলেন ওবামা। গত বছরের সেপ্টেম্বরে প্রকল্পটি বাতিলের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাচনের আগে থেকেই তিনি এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছিলেন। নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি সেই পথেই হাঁটছেন। কিন্তু ডেমোক্র্যাটরা তার পদক্ষেপের বিরুদ্ধে বিরোধিতা করে আসছেন। তাদের মতে, ওই তরুণরা যাতে যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যেতে পারেন, সে রকম আইন আনা উচিত। ড্রিমার প্রকল্পটি নিয়ে দ্বিদলীয় প্রস্তাব এ পর্যন্ত প্রত্যাখ্যান করে এসেছেন ট্রাম্প। তার অনড় অবস্থানের কারণে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে অচলাবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের তিনদিনের জন্য সরকারী কার্যক্রমও বন্ধ ছিল। শেষ পর্যন্ত রিপাবলিকানরা প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনার প্রতিশ্রুতি দিলে সোমবার থেকে ফের সরকার সচল হয়েছে।

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here