ভারতে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত ও ধূলি ঝড়ে নিহত ৪০ - Chuadanga News | চুয়াডাঙ্গা নিউজ | ২৪ ঘন্টাই সংবাদ

Sidebar Ads

test banner

Breaking

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Monday, May 14, 2018

ভারতে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত ও ধূলি ঝড়ে নিহত ৪০


দিল্লি, অন্ধ্রপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত ও ধূলি ঝড়ে কমপক্ষে ৪০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। আহতের সংখ্যা প্রায় অর্ধশতাধিক।
 গতকাল বিকালের পর থেকেই কালো মেঘে ছেয়ে যায় ভারতের রাজধানী দিল্লির আকাশ। শুরু হয় ধূলি ঝড় ও বৃষ্টিপাত। দিল্লির একাধিক জায়গায় ১০৯ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়। তাতে ২ জন নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ১৮ জনের মতো। ঝড়ের দাপটে একাধিক জায়গায় অন্তত ১৯০ টির মতো ছোট-বড় গাছ এবং ৪০ টির মতো বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়েছে। বিপর্যস্ত সড়ক ও ট্রেন পরিষেবা। ঝড়ের দাপটে কিছুক্ষণের জন্য ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক বিমান ওঠা-নামায় ব্যহত হয় দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। 
বিমানবন্দর সূত্রে খবর, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে প্রায় ৭০ টি বিমানকে এদিন অন্য পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হয় এবং প্রায় ২৪ টির বেশি বিমান দেরীতে চলছে বলে জানা গেছে। মেট্রো পরিষেবাও বিঘ্নিত। সব মিলিয়ে স্তব্ধ হয়ে গেছে রাজধানীর জনজীবন। 
অন্ধ্রপ্রদেশে বজ্রাঘাতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলাম জেলায় সাত জন এবং কাদাপা এলাকায় দুই জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, আহত ৩ জন। কয়েকদিন ধরেই অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানার বিস্তীর্ণ এলাকায় বজ্র সহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। তবে এদিন সন্ধ্যার পর থেকে তা ভয়াবহ আকার ধার করে।

রবিবারের বজ্র সহ বৃষ্টিপাত ও ঝড়ের দাপটে উত্তরপ্রদেশেও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত কমপক্ষে ২৮ জন। রাজ্যটির প্রধান সচিব (তথ্য) অবনীশ আবস্তি এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে জানান কাশগঞ্জে ৪ জন, বুলন্দশহরে ২ জন এবং কনৌজ, আলিগড়, সম্বল, গাজিয়াবাদ ও নয়ডা’য় ১ জন করে মৃত্যু হয়েছে। বাজ পড়ে কয়েকটি কাঁচা বাড়িতে আগুন ধরে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে এই রাজ্যটিতে।

পশ্চিমবঙ্গেও এদিন সন্ধ্যার পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় বজ্র সহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এতে এখনও পযৃন্ত ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহতের সংখ্যা ১৫। রাজ্যটির হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়ায় মৃত্যু হয়েছে পাঁচ জনের, এর মধ্যে এদিন বিকালে আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রাঘাতে চার বালকের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর চব্বিশ পরগনা ও নদীয়া জেলায় দুই জন করে নিহত হয়েছে এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় মৃত্যু হয়েছে এক জনের।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমস্ত রকমের সহায়তা করার পাশাপাশি যাদের ঘর-বাড়ি ভেঙে পড়েছে বা ফসলের ক্ষতি হয়েছে তাদের কেও সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। 
এদিন রাতে মমতা জানান ‘প্রকৃতির ওপর আমাদের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। এই দুর্যোগে যারা নিহত হয়েছেন তাদেরকে হয়তো আমরা ফিরিয়ে আনতে পারবো না কিন্তু আমাদের সরকার সেই সমস্ত পরিবারের পাশে আছে এবং যতটা সম্ভব তাদেরকে সহায়তা করা হবে’।

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here