বিটা ক্যারোটিনের উপকারিতা - Chuadanga News | চুয়াডাঙ্গা নিউজ | ২৪ ঘন্টাই সংবাদ

Sidebar Ads

test banner

Breaking

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Saturday, January 5, 2019

বিটা ক্যারোটিনের উপকারিতা

প্রায় সব রঙিন সবজি ও ফলে বিটা ক্যারোটিন পাওয়া যায়। তবে সবচেয়ে ভালো উৎস হলো গাজর, মিষ্টি আলু, মিষ্টি কুমড়া, পালংশাক, বাঁধাকপি, শালগম, টমেটো, লাল মরিচ, মটর, ব্রুকলি ইত্যাদি।
আজকের আলোচনা এই বিটা ক্যারোটিনের কিছুু উপকারিতা নিয়ে—
হৃদরোগ প্রতিরোধ
যারা প্রতিদিন বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ খাবার খায়, তাদের হার্টের বিভিন্ন সমস্যার ঝুঁকি কমে যায়। বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন ‘ই’-এর মতো কাজ করে, যা ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বের করে দেয়। ফলে এথারোস্কেলোরোসিস এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ
গবেষণায় দেখা গেছে, বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ খাবার রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমিয়ে দেয় এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
বিটা ক্যারোটিন নিজেই এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের অক্সিডেশন প্রতিরোধ করে এবং শরীরকে ক্ষতিকর রেডিক্যালের হাত থেকে রক্ষা করে।
ক্যান্সার প্রতিরোধ
যারা বেশি পরিমাণ ক্যারোটিনয়েড খায় তাদের স্তন, কোলন ও ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কার্যকারিতার জন্য ক্যারোটিনয়েড ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে। বিটা ক্যারোটিন ক্যান্সার কোষ সৃষ্টিতেও বাধা দেয়।
চোখ রক্ষা
এক গবেষণায় দেখা যায়, প্রতিদিন বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেলে বয়সজনিত চোখের ক্ষতির ঝুঁকি কমে যায়। বিটা ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়।
শ্বাসতন্ত্র
বেশি বিটা ক্যারোটিন এবং ভিটামিন সি খেলে ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ে এবং শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধ করে। পাশাপাশি শ্বাস-প্রশ্বাসের বিভিন্ন সমস্যা যেমন—অ্যাজমা, ব্রংকাইটিস এবং এমফিসেমা প্রতিরোধ করে।

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here