যত জিজ্ঞাসা সানস্ক্রিন নিয়ে! - Chuadanga News | চুয়াডাঙ্গা নিউজ | ২৪ ঘন্টাই সংবাদ

Sidebar Ads

test banner

সর্বশেষ খরব

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Monday, December 14, 2020

যত জিজ্ঞাসা সানস্ক্রিন নিয়ে!


টিনেজ থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক আমাদের সবার জন্যেই স্কিন কেয়ার অত্যন্ত জরুরী। যেকোন সমস্যার সমাধান চাওয়ার আগে খুব ভাল হয় যদি সমস্যা শুরু হওয়ার আগেই তার প্রতিকারের ব্যবস্থা করা যায়। স্কিন রিলেটেড আমাদের সমস্যার কি কোনো শেষ আছে? বয়স, স্কিনের ধরণ, জেনেটিক নানা কারণে আমাদের একেক জনের স্কিনের সমস্যাও আলাদা। সাজগোজের ইনবক্সে আপনারা অনেকেই সানস্ক্রিনের ব্যবহার নিয়ে জানতে চান। এটি কেন ব্যবহার করা হয়? এর কাজ কী? কারা ব্যবহার করবে? কখন ব্যবহার করবে? কোনটা ব্যবহার করলে ভাল উপকার পাবে এমন আরও নানা প্রশ্ন! যেকোন প্রোডাক্ট ব্যবহার করার আগে অবশ্যই জেনে নেয়া ভাল সেটি আমাদের প্রবলেমটির জন্যে কতটুকু কার্যকরী হবে। তেমনি সানস্ক্রিন ব্যবহার করার আগেও এর খুঁটিনাটি জেনে নেয়াই ভাল। চলুন আজ তাহলে দেখা যাক আপনাদের সানস্ক্রিন নিয়ে যত জিজ্ঞাসা এবং সানস্ক্রিন ব্যবহারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিয়ে।


সানস্ক্রিন কী?

স্কিনের সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম বড় একটি সমস্যা হলো সানবার্ন এর সমস্যা। সূর্যের আলট্রাভায়োলেট রশ্মি আমাদের ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে। এই আলট্রাভায়োলেট রশ্মি বা সানবার্ন থেকে নিজের স্কিনকে সুরক্ষা দেয়াই মূলত সানস্ক্রিনের কাজ। সানস্ক্রিনে থাকে এসপিএফ (SPF)। আমরা অনেকেই এই শব্দটির সাথে পরিচিত। তবে এর পূর্ণ রূপটি কি জানা আছে? এসপিএফ (SPF) মানে হলো, সান প্রটেকশান ফ্যাক্টর (Sun Protection Factor)। নাম শুনেই বুঝা যাচ্ছে এর কাজ সম্পর্কে তাইনা? আসলে এই এসপিএফ (SPF) এর মেইন কাজটাই হচ্ছে সূর্যের আলট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে আমাদের ত্বককে সুরক্ষা দেয়া। এতে করে চেহারায় কালচে দাগ পড়ে যাওয়া বা সানবার্ন হওয়ার মত সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায় সহজেই।


কী ধরণের ক্ষতি হতে পারে সানস্ক্রিন ব্যবহার না করলে স্কিনের ?

আমাদের স্কিন প্রতিনিয়ত দুই ধরনের সূর্যরশ্মি ফেইস করে থাকে।


একটি ইউভি এ (UV A) রশ্মি

অন্যটি ইউভি বি (UV B) রশ্মি

ইউভি এ (UV A) রশ্মি: এটি আমাদের ত্বকের ভেতর পর্যন্ত যেয়ে আমাদের ত্বকের কোলাজেন প্রোডাকশন কমিয়ে দেয়। যার ফলে আমাদের ত্বকে বয়সের ছাপ বোঝা যায়, চামড়া কুঁচকে যায়, বলি রেখা দেখা দেয়া সহ ফাইন লাইনের মত সমস্যা দেখা দেয়। পাশাপাশি রিংকেলস এর সমস্যাও দেখা দেয়।


ইউভি বি (UV B) রশ্মি: এটি মূলত আমাদের ত্বকের সানবার্ন এর মত সমস্যার জন্যে দায়ী। এছাড়াও আমাদের ত্বকে ছোপ ছোপ কালো দাগ বা পিগমেন্টেশনের সমস্যাগুলোও হয় এই ইউভি বি (UV B) রশ্মির কারণে।


কীভাবে এসপিএফ (SPF) কাজ করে?

 আমরা জেনেছি, এসপিএফ (SPF) মানে হলো- সান প্রটেকশান ফ্যাক্টর (Sun Protection Factor)। এই এসপিএফ (SPF) এর উপরেই নির্ভর করে আপনার সানস্ক্রিন সান ড্যামেজ থেকে আপনার স্কিনকে কত সময়ের জন্যে সুরক্ষা দিতে পারবে। যখন কেউ এসপিএফ (SPF) ১৫ এর একটি সানস্ক্রিন ইউজ করে সেক্ষত্রে সে এসপিএফ (SPF) ১৫ কে ১০ দিয়ে গুণ করবে। গুণ করে যত মিনিট পাওয়া যাবে, সে ততো সময়ের জন্যে সূর্যরশ্মি থেকে প্রটেকটেড থাকবে। ফলাফল আসে ১৫০ মিনিট। অর্থাৎ ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিটের জন্যে আপনি নিশ্চিন্ত! ঠিক এভাবেই যে যেই এসপিএফ (SPF) ব্যবহার করছেন তাকে ১০ দিয়ে গুণ দিলেই পেয়ে যাবেন আপনি কতক্ষণ ইউভি বি সূর্যরশ্মি থেকে সুরক্ষিত আছেন। মূলত, এজন্যেই সানস্ক্রিন বাছাই করার সময় অনেকেই বেশি এসপিএফ (SPF) যুক্ত সানস্ক্রিন প্রেফার করে থাকে।


পি এ প্লাস কী?

সানস্ক্রিনের গায়ে অনেক সময়ই পি এ প্লাস (PA+) থেকে পি এ প্লাস প্লাস (PA++) এবং পি এ প্লাস প্লাস প্লাস (PA+++) পর্যন্ত দেখা যায়। এর মানে কী আমরা অনেকেই জানিনা! এটি দিয়ে মূলত বুঝায় আমাদের বাছাই করা সানস্ক্রিনটি  ইউভি বি (UV B) রশ্মির পাশাপাশি কত ভাল ইউভি এ (UV A) রশ্মি থেকেও আমাদের সুরক্ষা দিতে পারবে। তার মানে, যত বেশি প্লাস তত বেশি ইউভি এ (UV A) রশ্মি থেকে প্রটেকশন!


কীভাবে বুঝবো কোনটি ফিজিক্যাল সানস্ক্রিন এবং কোনটি কেমিক্যাল সানস্ক্রিন?

সানস্ক্রিন কেনার ক্ষেত্রে আমাদের অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে যে, “কোন ইনগ্র্যাডিয়েন্ট যুক্ত সানস্ক্রিন কিনব? ফিজিক্যাল না কেমিক্যাল?” আমরা অধিকাংশরাই এই দুই সানস্ক্রিনের মধ্যকার পার্থক্য জানিনা। চলুন জেনে নেই, কীভাবে বুঝবেন কোনটা ফিজিক্যাল সানস্ক্রিন এবং কোনটা কেমিক্যাল সানস্ক্রিন?


ফিজিক্যাল সানস্ক্রিন: টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইড এবং জিংক-অক্সাইড এগুলো মূলত ফিজিক্যাল ইনগ্র্যাডিয়েন্টস। তাই যদি সানস্ক্রিনের ইনগ্র্যাডিয়েন্ট লিস্টে এমন উপাদানগুলো দেখতে পান, তবে বুঝে নিবেন তা ফিজিক্যাল সানস্ক্রিন। ফিজিক্যাল ইনগ্র্যাডিয়েন্টের জন্যে ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি আমাদের স্কিনের স্তরে পৌঁছে আবার রিফ্লেক্ট করে বাইরে বের হয়ে যায়।


কেমিক্যাল সানস্ক্রিন: যদি সানস্ক্রিনের ইনগ্র্যাডিয়েন্ট লিস্টে অ্যাভোবেনজোন, অক্সিবেনজোন এ ধরনের উপাদান থাকে, তবে বুঝে নিতে হবে তা কেমিক্যাল সানস্ক্রিন। কেমিক্যাল ইনগ্র্যাডিয়েন্টসগুলো ইউভি এ (UV A) রশ্মি শোষণ করে তার কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়।


এই ইনগ্র্যাডিয়েন্টসগুলো মূলত ইউভি এ (UV A) রশ্মি এবং ইউভি বি (UV B) রশ্মি প্রতিরোধে কাজ করে। কোনো কোনো ইনগ্র্যাডিয়েন্ট শুধু ইউভি এ (UV A) রশ্মির জন্যে কাজ করে। কোনটি আবার ইউভি বি (UV B) রশ্মির জন্যে। কোনো কোনটি আবার কাজ করে দুটির জন্যেই।


সানস্ক্রিন কতটুকু পরিমাণে লাগাবো?

খুব সহজেই যদি বুঝাতে হয়, তবে আপনি যতটুকু পরিমাণ ময়েশ্চারাইজিং ক্রীম ব্যবহার করেন তার চেয়ে একটু বেশি পরিমাণে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন আপনার পুরা ফেইস যেন ভালভাবে কাভার হয়।


সানস্ক্রিন অ্যাপ্লাই নিয়ে কমন কিছু প্রশ্ন উত্তর

সানস্ক্রিন নিয়ে আমাদের অনেকের কমন কিছু প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে সানস্ক্রিন কখন লাগাতে হয়? কীভাবে লাগাতে হয় এগুলো নিয়ে! চলুন, আজকে আপনাদের তেমন কিছু প্রশ্নের উত্তর দেয়া যাক!


(১) দিনের বেলায় বাসায় থাকলেও কি সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে?

-হ্যাঁ, অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। দিনের বেলায় আপনি যেখানেই থাকেন সূর্যের আলো কিন্তু কোনো না কোনো ভাবে আপনাকে স্পর্শ করছেই। তাই দিনের বেলায় আপনি বাইরে থাকুন বা বাসার ভেতরে, সানস্ক্রিন ব্যবহার করা আবশ্যক!


(২) বাহিরে রোদ কম থাকলে বা আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও কি সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে?

-হ্যাঁ, রোদ কম বা আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও সানস্ক্রিন লাগাতে ভুল করবেন না।


(৩) রান্না করতে গেলে বা চুলার কাছে গেলে কি সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে?

-হ্যাঁ! দিনের বেলা যখনই রান্না ঘরে যাবেন বা চুলার পাশে থেকে কোনো কাজ করবেন অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলবেন না!


 (৪) বাসায় থাকলেও কি বেশি এসপিএফ (SPF) যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে?

-না! বাসায় থাকলে চেষ্টা করবেন এমন সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে যেটির এসপিএফ ১৫ থেকে ৩০ এর নিচে। বাইরে বের হলে, চেষ্টা করবেন এসপিএফ ৩০ এর উপরে এমন সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে।


 (৫) বাইরে বের হওয়ার কতক্ষণ আগে সানস্ক্রিন অ্যাপ্লাই করবো?

-স্কিনকেয়ারের যেকোন প্রোডাক্টই একটার পর একটা অ্যাপ্লাই করা ঠিক নয়। অ্যাপ্লাই করার পর স্কিনের সাথে এডজাস্ট হওয়ার জন্যে কিছুক্ষণ সময় দিতে হয়। তাই চেষ্টা করবেন বাইরে বের হওয়ার আগে অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন অ্যাপ্লাই করতে।


(৬) সানস্ক্রিন রি-অ্যাপ্লাই করা কি জরুরি? বাসায় থাকলেও কি সানস্ক্রিন রি-অ্যাপ্লাই করতে হবে?

-হ্যাঁ! বিভিন্ন এসপিএফ ভেদে প্রতি ৩-৫ ঘন্টা পরপর সানস্ক্রিন রি-অ্যাপ্লাই করা জরুরি। এসপিএফ এর পরিমাণ যত বেশি থাকে এটি তত বেশি সময় ধরে আমাদের স্কিনের সুরক্ষা নিশ্চিত করে। সাধারণত কয়েক ঘন্টা পরই আমাদের স্কিনে আমরা যেই স্কিন কেয়ার প্রোডাক্টই ব্যবহার করিনা কেন, তা মেল্ট হয়ে যায়। তাই কার্যকারিতা বজায় রাখতে অবশ্যই সানস্ক্রিন রি-অ্যাপ্লাই করতে হবে। এবং বাসায় থাকলেও নিয়ম মত সানস্ক্রিন রি-অ্যাপ্লাই করতে হবে। যেহেতু বাসায় ব্যবহার করা সানস্ক্রিন গুলোতে এসপিএফ এর পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকে। তাই এর প্রটেকশন দেয়ার ক্ষমতাও একটু কম থাকে। চেষ্টা করবেন ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পর পর সানস্ক্রিন পুনরায় অ্যাপ্লাই করতে।


(৭) টিনেজার জন্যে সানস্ক্রিন ব্যাবহার করা কি জরুরী?

–হ্যাঁ! টিনেজার জন্যে সানস্ক্রিন ব্যাবহার করা অত্যন্ত জরুরী। এই সময়টাতে স্কিনের সান প্রটেকশন নিয়ে কেউই মাথা ঘামাই না। আর এটাই পরবর্তীতে বিভিন্ন স্কিন রিলেটেড ইস্যু তৈরি করে। যেমন সানবার্ন, পিগমেন্টেশন, ডার্ক স্পট আরও অনেক কিছু। তাই বাহিরে বের হওয়ার আগে সঠিক এস পি এফ যুক্ত প্রোডাক্ট অ্যাপ্লাই করে নিতে হবে। মিনারেল বেইজড সানস্ক্রিন টিনেজে নির্ভয়ে ব্যবহার করা যায়।


(৮) আগে ময়েশ্চারাইজার অ্যাপ্লাই করবো না সানস্ক্রিন?

-অবশ্যই আগে ময়েশ্চারাইজার অ্যাপ্লাই করে এরপর সানস্ক্রিন অ্যাপ্লাই করতে হবে।


(৯) মেকআপ করার আগে কখন সানস্ক্রিন অ্যাপ্লাই করবো?

-মেকআপের স্টেপগুলো শুরু করার আগে স্কিনকেয়ার প্রোডাক্টস ভালোভাবে ফেইসে অ্যাপ্লাই করে নিতে হবে। তাই প্রাইমার ব্যবহার করার আগে অবশ্যই সানস্ক্রিন অ্যাপ্লাই করে নিবেন।


(১০) স্কিন টাইপ অনুয়াযী কীভাবে সানস্ক্রিন সিলেক্ট করবো?

–আমাদের প্রত্যেকের স্কিন টাইপ ভিন্ন।  তাই  একই প্রোডাক্ট একজনকে স্যুট করলে সেটা আরেকজনকে নাও স্যুট করতে পারে। একই কারণে সানস্ক্রিন সিলেক্ট করার সময়ও স্কিনটাইপ বুঝে যেটি ভাল হবে সেটি কিনুন। আপনার স্কিন টাইপ নরমাল হলে এমন সানস্ক্রিন বেছে নিন যেটি এসপিএফ ৩০ যুক্ত। স্কিন টাইপ অয়েলি হলে এসপিএফ ৫০ যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। আর যদি ড্রাই স্কিন হয় তবে এমন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন যাতে ময়েশ্চারাইজার রয়েছে।


সানস্ক্রিন তোলার সঠিক উপায় কী?

সারাদিন পর বাসায় ফিরে ত্বক থেকে সানস্ক্রিন ভালোভাবে তুলতে হবে অবশ্যই। আমরা অনেকেই অবহেলা করে শুধু পানি বা ফেসওয়াশ ব্যবহার করে মুখ ক্লিন করতে চাই। কিন্তু, ত্বককে পুরোপুরিভাবে পরিষ্কার করতে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় কাজ কিন্তু প্রপার ক্লিনজিং। আর সানস্ক্রিন তুলার ক্ষেত্রে চেষ্টা করবেন অবশ্যই ডাবল ক্লিনজিং এর স্টেপগুলো ফলো করতে।


ডাবল ক্লিনজিং কী এবং এর স্টেপ গুলো কী কী?

ডাবল ক্লিনজিং

সারাদিন নানা প্রসাধনী ব্যবহার করার পর আমাদের ত্বকটাকে ভালভাবে পরিষ্কার করার প্রথম ধাপটিকেই বলে ক্লিনজিং। এবং এই পরিষ্কার করার প্রসেসে একবারের বেশি দুইবার যখন কোন স্টেপ ফলো করা হয়, তাকেই বলে ডাবল ক্লিনজিং।


ডাবল ক্লিনজিং করার স্টেপ

ডাবল ক্লিনজিং এর জন্যে প্রথমেই একটি অয়েল বেইজড ক্লিনজার বেছে নিন। মার্কেটে নানা ব্র্যান্ডের ক্লিনজিং মিল্ক বা লোশনও পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে আপনার জন্যে নির্ভরযোগ্য এবং পছন্দের ক্লিনজারটি বেছে নিন। অয়েল বেইজড ক্লিনজার না থাকলে মিসেলার ওয়াটার ব্যবহার করবেন।

এবার শুরুতেই ফেইসে হালকা একটু পানির ঝাপটা দিয়ে নিন। নরম কাপড় দিয়ে ফেইসটা একটু মুছে নিন।

এখন পরিমিত পরিমাণে অয়েল ক্লিনজার, লোশন বা মিসেলার ওয়াটার নিয়ে নিন।

৩ থেকে ৫ মিনিট ভাল করে মুখে ম্যাসাজ করুন। তবে বেশি জোরে ঘষা যাবেনা।

ম্যাসাজ করার পর মুখ, গলা ও ঘাড়ের ক্লিনজিং অয়েল বা লোশন একটি ওয়াইপস বা কটন প্যাডের সাহায্যে তুলে ফেলুন।

এখন আপনার স্কিনটাইপ অনুযায়ী একটি ভাল ফেসওয়াশ দিয়ে মুখটা ভাল করে ধুয়ে ফেলুন।

ব্যাস! ডাবল ক্লিনজিং হয়ে গেল! শেষে অবশ্যই আপনার মুখে একটি ময়েশ্চারাইজার লাগাতে ভুলবেন না।

প্রতিদিন নানা কারণে নানা ভাবে আমাদের স্কিনের ড্যামেজ হচ্ছে। দিনের বেলার সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মি বা Ultraviolet Ray আমাদের ত্বকের জন্যে মারাত্মক ক্ষতিকর। গবেষণায় দেখা গেছে, এই সানবার্ন অনেক সময় আমাদের ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমদের মাঝে দেখা দেয় নানা রকম সমস্যা। তাই সমস্যা হওয়ার আগেই এর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থ্যা নেয়াটা জরুরী। একটা বয়সের পর স্কিন কেয়ার আমদের প্রয়োজন হয়ে পরে। আশা করছি, আজকের এই লিখাটি আপনাদের উপকারে আসবে। সানস্ক্রিন নিয়ে যারা অনেকেই জানতেন না, এই তথ্য গুলো জেনে নেয়া থাকলে আপনি সহজেই বুঝে নিতে পারবেন কেন, কিভাবে এবং কোন সানস্ক্রিনটি আপনার জন্যে সঠিক।আর বাইরে বের হবার আগে এবং বাসায় যেখানেই থাকুন না কেন সানস্ক্রিন ব্যবহারের অভ্যাসটি করে ফেলবেন দ্রুত।

 সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, সুন্দর থাকবেন।

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here