অন দিবো কীভাবে ব্লাস? - Chuadanga News | চুয়াডাঙ্গা নিউজ | ২৪ ঘন্টাই সংবাদ

Sidebar Ads

test banner

Breaking

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Wednesday, February 3, 2021

অন দিবো কীভাবে ব্লাস?


মনের মত করে ব্লাস পাবো, কিন্তু মনের মত করে কি আমরা ব্লাস দিতে পারি। সবার-ই আলাদা মুখের গড়ন থাকে। এক এক মুখের গড়নে আলাদাভাবে ব্লাস অন লাগাতে হয়। প্রথমে ব্লাস লাগানর পার্ট টুকু বাছাই করতে হবে। গালে আপেলের মত দেখতে জায়গায় হল সব চেয়ে কমন পার্ট ব্লাস লাগানোর। তাছাড়া গালের আপেল পার্ট ব্লাস দিলে অনেকটা ন্যাচারাল লাগে। মুখে হাসি দিলে যে জায়গা টা ফুলে উঠে সেটাই হল আপেল পার্ট। আপনি আপনার চিক বোন খেয়াল করুন। চিক বোনে আপেল পার্ট থাকে, তার নিচের অংশ হল কন্টরিং এর জন্য। ঠিক মত ব্লাস এবং কন্টরিং করলে মুখের শেপ সুন্দর আনা যায়। মেক-আপ বেস-ও সুন্দর হয়। মোটামটি ৫ রকমের মুখের গড়ন বেশি দেখা যায়। আপেল পার্টে সামান্য ব্লাস লাগিয়ে নিচ থেকে উপরের কানের অংশ পর্যন্ত ভালো করে ব্লেন্ড করতে হবে। জেনে নেয়া যাক কীভাবে গড়ন অনুযায়ী মুখে ব্লাস করতে হবে।


কীভাবে ব্লাস দিতে হবে ?

ব্লাস দেয়ার আগে বাছাই করতে হবে ভালো মানের ব্লাস ব্রাশ। ব্রাশে পাওডার ব্লাস নিয়ে, অতিরক্ত টুকু ফু দিয়ে ঝেড়ে ফেলতে হবে। মুখের গড়ন অনুযায়ী ব্রাশ নিবেন। মুখের গড়নের থেকে ছোট ব্রাশ কখনই নিবেন না। এতে করে সঠিক শেপ আসবে না মুখের। আয়নার দিকে তাকিয়ে, একটি হাসি দিন। মুখের আপেল পার্টটা ফুটে উঠবে। তারপর ব্রাশে ব্লাস নিয়ে ঠোঁটের অংশ থেকে গালের সাইডের চুলের অংশ পর্যন্ত ভালো করে ব্লেন্ড করুন। মনে রাখবেন কখনই ব্লাশ ঠোঁট পর্যন্ত না যায়। খালি আপেল অংশ টুকুই করবেন।



ওভাল শেপের মুখের গড়ন

ওভাল শেপের মুখে সবচেয়ে সুন্দর করে মেক-আপের বেস করা যায়। অনেকভাবে ব্লাস দেয়া যায় এই গড়নের মুখে। মুখের আপেলে ব্লাশ লাগিয়ে ব্রাশ দিয়ে আপেল থেকে কান পর্যন্ত ব্লাস করতে পারেন। মনে রাখতে হবে মুখ থেকে কানের সাইডে যেতে হবে, কানের সাইড থেকে মুখের দিকে নয়। এছাড়া আপেল থেকে এঙ্গেল করে গালের সামান্য নিচ পর্যন্ত ব্লাশ ব্লেন্ড করতে পারেন। এতে করে গোল মুখ কিছুটা লম্বা লাগবে।


রাউন্ড শেপের মুখের গড়ন

রাউন্ড শেপের মুখের গড়ন যেমন লম্বা হয় তেমন চওড়াও। তাই মুখের আপেল পার্টটাও অনেক বড় থাকে। মুখের গড়নটা কে একটু চাপা করতে আপেল পার্ট টা কে V শেপ করে ব্লাশ অন লাগান। আপেল পার্টের নাকের অংশ কে ভি এর কোণা করে এবং গালের সাইডের পুরো অংশ নিয়ে ব্লাস লাগান। আরও এফেক্ট আনতে থুতনিতেও ব্লাশ অন লাগান।


চার কোণা শেপের মুখের গড়ন

চারকোণা শেপ এমন যেটা মুখের কপাল, গাল এবং থুতনি এক সমান। এ ধরনের মুখে ব্লাস লাগানো একদম সোজা। চোখের মাঝ খান অংশ বরাবর আপেল পার্ট এ ব্লাশ লাগিয়ে মুখের যে অংশে মাথার চুল আছে, সে অংশ পর্যন্ত নিয়ে ব্লেন্ড করতে হবে। মুখের লুক টাকে আরও সফট করতে কপালে এবং থুতনির নিচে ব্লাশ দিবেন।


হার্ট শেপ

হার্ট শেপে কপাল বড় থাকে, এবং আপেল পার্ট উঁচু থাকে। এই শেপের গাল অনেক আঁকাবাঁকা থাকে। আপেল পার্ট এ ভি শেপে ব্লাশ অন লাগিয়ে, ব্রুর উপর পর্যন্ত ব্লাশ অন লম্বা করে গাল থেকে লাগাতে হবে। এতে করে বড় কপাল কিছু টা হলেও ছোট লাগবে। কপাল এর সাথে পুরো মুখ ব্যালেন্স হবে।


অব্লং শেপেড় মুখের গড়ন

 এই শেপ আংশিকভাবে চারকোনা মুখের শেপের মত। চারকোণা শেপের মুখের মত করেই ব্লাস লাগাতে হবে কিন্তু সেটা কোনভাবে নাকের নিচ পর্যন্ত যাবে না।

ছোট টিপস- মুখে একটু ডিউ ভাব, শাইনি ভাব আনার জন্য মেক-আপ শেষ করার পর অবশিষ্ট যে ব্লাস ব্রাশে লেগে থাকবে সেটা নাকে লম্বালম্বি করে, কপালে এবং থুতনিতে লাগাতে পারেন। মনে রাখবেন এই অংশ করতে কোন অতিরিক্ত ব্লাসের দরকার নেই ধন্যবাদ সবাইকে।

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here